গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকা শহরের কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘জানফাদা’ সমাবেশে তিন কোটি ইরানি ও বহু তরুণী অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত হয় এবং জনগণের মধ্যে ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। সমগ্র শহর জুড়ে সঙ্গীত, নৃত্য ও বক্তৃতা চলাকালীন হাজার হাজার মানুষ একত্রে ‘জানফাদা’ গানের সুরে মেতে ওঠেন। এই সমাবেশের তাৎক্ষণিক গুরুত্ব হলো, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় স্তরে বাংলাদেশের শান্তি ও উন্নয়নের প্রতি আস্থা জোরদার করা।
‘জানফাদা’ আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়েছিল, যখন দেশটি বহু সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি ছিল। তখন থেকেই এই আন্দোলন দেশীয় জনগণের মধ্যে সমবেদনা ও সহযোগিতার চেতনা গড়ে তুলেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানি নাগরিকরা এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে, যা দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছে। তরুণী ও তরুণরা এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করে দেখিয়েছে যে, লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলেরই দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার দায়িত্ব রয়েছে।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ‘জানফাদা’ তাদেরকে একত্রে কাজ করার অনুপ্রেরণা দেয়। একটি তরুণী অংশগ্রহণকারী, যিনি ‘সারাহ’ নামে পরিচিত, বলেন, ‘আমরা সবাই মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করছি, আর এই সমাবেশে অংশগ্রহণ আমাদেরকে আরও দৃঢ় করে তোলে।’ এছাড়াও, স্থানীয় নেতারা জোর দিয়ে বলেন যে, ‘জানফাদা’ আন্দোলন সমাজের বিভিন্ন স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। এই সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একটি সাধারণ অনুভূতি ছিল যে, দেশের উন্নয়নে প্রত্যেকেরই অবদান রাখা জরুরি।
সরকারি কর্মকর্তারা সমাবেশের পর ঘোষণা করেন যে, ‘জানফাদা’ আন্দোলনের সফলতা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হবে এবং ভবিষ্যতে আরও সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও, সরকার তরুণী ও তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান ও শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ভবিষ্যতে ‘জানফাদা’ আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশের সকল জনগোষ্ঠীই এই আন্দোলনের অংশ হতে পারে।