গত বৃহস্পতিবার ঢাকা আন্তর্জাতিক সঙ্গীত ফোরামে বাংলাদেশের সঙ্গীতশিল্পী হামিন আহমেদকে এপিএমএর নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার সংবাদ প্রকাশ পায়। এই পদটি দেশের সঙ্গীতাঙ্গনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ এপিএমএ বিশ্বব্যাপী সঙ্গীতশিল্পীদের সুরক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করে। হামিনের নির্বাচনের ফলে বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পীরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে অধিক স্বীকৃতি ও সহযোগিতার সুযোগ পাবে। এছাড়াও, এপিএমএর নীতি ও প্রোগ্রামগুলো স্থানীয় সঙ্গীতশিল্পীদের সুরক্ষা ও অধিকার রক্ষায় সহায়ক হবে।
হামিন আহমেদ, যিনি ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশের সঙ্গীতজগতের অন্যতম প্রধান সুরকার ও গীতিকার, তিনি বহু আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। এপিএমএর ইতিহাস ও কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষেপে বলা যায় যে, এটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সঙ্গীতশিল্পীদের অধিকার রক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে। বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গন দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছাতে চেয়েছে, কিন্তু সুরক্ষা ও অধিকার সংক্রান্ত সমস্যায় বাধা পেয়েছে।
হামিন নির্বাচনের পর তিনি বলেন, 'এটি বাংলাদেশের সঙ্গীতশিল্পীদের জন্য গর্বের মুহূর্ত। এপিএমএর সাথে যুক্ত হয়ে আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে আমাদের সঙ্গীতকে উন্নীত করতে পারব।' সঙ্গীতশিল্পী ও সঙ্গীতশিল্পী সমিতির সদস্যরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশাবাদ প্রকাশ করেন যে, এপিএমএর নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে নতুন সঙ্গীত প্রকল্প ও বিনিময় প্রোগ্রাম গড়ে উঠবে।
বাংলাদেশ সরকার ও সঙ্গীত মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এপিএমএর সাথে সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করছে। তারা নতুন নীতি প্রণয়ন করছে যাতে সঙ্গীতশিল্পীদের আন্তর্জাতিক সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত হয়। ভবিষ্যতে, এপিএমএর অধীনে বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পীরা আন্তর্জাতিক ফেস্টিভ্যাল ও রেকর্ডিং চুক্তিতে অংশ নিতে পারবেন।