সকাল ৭টার দিকে ঢাকার পূর্বাঞ্চল (ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন, মতিঝিল ইত্যাদি) ও চট্টগ্রামের কিছু অংশে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। পিএলসি জানিয়েছে, বিভ্রাটের সময়কাল প্রায় দুই ঘণ্টা ছিল এবং পরে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়। এই ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটায়। বিদ্যুৎ না থাকায় স্কুল, হাসপাতাল, ব্যাংক ও রেস্টুরেন্টে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, ফলে অনেক কর্মচারী ও শিক্ষার্থীর জন্য অসুবিধা সৃষ্টি হয়।
পূর্ববর্তী কয়েকদিন ধরে গ্রিডে অতিরিক্ত লোড ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলছিল, যার ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহে অস্থিরতা দেখা দেয়। পিএলসি জানিয়েছে, বিভ্রাটের মূল কারণ ছিল ট্রান্সফরমার ও ক্যাবল সংযোগে ত্রুটি, যা হঠাৎ করে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করে দেয়। এছাড়া, সাম্প্রতিক বৃষ্টির ফলে কিছু সেক্টরে পানির ক্ষতি ও ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে, যা বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কে প্রভাব ফেলেছে।
বিভ্রাটের সময় স্থানীয় প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগ দ্রুত সাড়া দেয়। পিএলসি’র প্রযুক্তিবিদরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন এবং দ্রুত মেরামত কাজ শুরু করেন। বাসিন্দারা সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ জানিয়ে দ্রুত সমাধানের অনুরোধ করেন। পিএলসি’র মুখপাত্র বলেন, “আমরা দ্রুত মেরামত করে বিদ্যুৎ পুনরায় চালু করেছি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।” ব্যবসায়ীরা বলেন, “দুটি ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের বিক্রয় ও সেবা প্রভাবিত হয়েছে।”
অধিকারেরা ভবিষ্যতে গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপন ও বিদ্যুৎ লাইনের আধুনিকীকরণে কাজ করছেন। পিএলসি জানিয়েছে, আগামী মাসে গ্রিডের রক্ষণাবেক্ষণ ও আপগ্রেডের জন্য বিশেষ টিম গঠন করা হবে। এছাড়া, গ্রাহকদের জন্য জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হবে। এই পদক্ষেপগুলো গ্রিডের নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে ও ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট রোধে সহায়ক হবে।