প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
আন্তজাতিক

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের আগের দিন বাবার মেয়ের সঙ্গে শেষবারের মতো কথা

সৌদি আরবে আগামীকাল নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ডের পূর্বে, সুইটি আক্তার নামের এক তরুণীর পিতা শেষবারের মতো তার কন্যার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Oct 20, 2026 প্রিন্ট: 20 Oct 2026, 04:09 PM
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের আগের দিন বাবার মেয়ের সঙ্গে শেষবারের মতো কথা

সৌদি আরবে আগামীকাল নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ডের পূর্বে, সুইটি আক্তার নামের এক তরুণীর পিতা শেষবারের মতো তার কন্যার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী শিকারের সময় নির্ধারিত হয়েছে, এবং পিতার মুখে কাঁদা ও উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট। পরিবার জানিয়েছে, এই শেষ সংলাপের মাধ্যমে কন্যার শেষ মুহূর্তের দৃশ্য দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পিতাকে নির্দিষ্ট সময়ে কক্ষের বাইরে থেকে সংযোগের ব্যবস্থা করা হয়। এই ঘটনা দেশের ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক দৃষ্টি আকর্ষণ করে, মানবিক দিক থেকে গভীর প্রশ্ন উত্থাপন করে।

সুইটি আক্তারকে ২০১৯ সালে সৌদি আরবের একটি গোপনীয় অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় এবং পরবর্তীতে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হয়। পরিবার দাবি করে যে, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন এবং কোনো প্রমাণের অভাব রয়েছে। মামলাটির পটভূমিতে স্থানীয় আইনগত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন উঠে আসে। অতীতে একই ধরনের মামলায় বহুবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা সমালোচনা প্রকাশ করেছে, এবং সৌদি আরবের শাস্তি প্রয়োগের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই মামলায় আদালতের রায়ের ভিত্তি ও প্রমাণের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

পরিবারের মুখে শোকের ছায়া ছড়িয়ে আছে, তবে তারা একই সঙ্গে সরকারী সিদ্ধান্তের প্রতি অবিচল বিশ্বাস প্রকাশ করেছে। পিতার বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, "আমার কন্যা নির্দোষ, তার শেষ মুহূর্তে আমি তার মুখ দেখতে চাই" এবং তিনি শাসনব্যবস্থার ন্যায়বিচারকে চ্যালেঞ্জ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন না। মানবাধিকার সংস্থাগুলি এই ঘটনার প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে, মৃত্যুদণ্ডের মানবিক দিক এবং কন্যার শেষ মুহূর্তের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। দেশীয় মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে কিছু গোষ্ঠী শাসনব্যবস্থার কঠোরতা সমালোচনা করে, অন্যদিকে কিছু গোষ্ঠী আইনগত প্রক্রিয়ার স্বাভাবিকতা স্বীকার করে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডের কার্যকরী প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে এবং কোনো আপিলের সুযোগ সীমিত করে দিয়েছে। সরকারী বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মামলাটি সম্পূর্ণ আইনি পদ্ধতি অনুসরণ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে এবং শাস্তি কার্যকর করা হবে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ভবিষ্যতে এমন মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য স্বচ্ছতা ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন। দেশীয় আইন প্রণেতারা এই ধরনের শাস্তি প্রয়োগে প্রয়োজনীয় সংশোধনী নিয়ে আলোচনা শুরু করার সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে। শেষ পর্যন্ত, এই ঘটনা সৌদি আরবের শাস্তি নীতি ও মানবাধিকার সংক্রান্ত আলোচনার নতুন দিক উন্মোচিত করেছে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ