প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
জাতীয়

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী সাঈদা কামালকে দাফন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় আজ বিকাল ৩টায় জাতীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী সাঈদা কামালকে দাফন করা হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, ম
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Oct 20, 2026 প্রিন্ট: 21 Oct 2026, 05:41 AM
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী সাঈদা কামালকে দাফন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় আজ বিকাল ৩টায় জাতীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী সাঈদা কামালকে দাফন করা হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভা সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। দাফন অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর শৌর্যবর্ধক সঙ্গীত বাজানো হয় এবং সাঈদা কামালের কবরস্থলে ফুলের মালা অর্পণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানটি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীরদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণে সরকারের দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক।

সাঈদা কামাল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শীর্ষস্থানীয় বীর হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং যুদ্ধের পর থেকে চিত্রশিল্পের মাধ্যমে জাতীয় আত্মগৌরবের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। তিনি বহু আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি উপস্থাপন করে দেশের কূটনৈতিক চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন। তার শিল্পকর্মে গ্রাম্য জীবন, স্বাধীনতার সংগ্রাম এবং মানবিক মূল্যবোধের সূক্ষ্ম চিত্রায়ণ দেখা যায়, যা জাতীয় স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে গণ্য হয়। সাঈদা কামাল বহুবার স্বাধীনতা পুরস্কার, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় শিল্প পুরস্কার এবং রাষ্ট্রের স্বীকৃত বীর পদক পেয়েছেন। তার মৃত্যু দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের জন্য একটি বড় ক্ষতি, তবে তার সৃষ্টিগুলি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে রয়ে যাবে।

দাফন অনুষ্ঠানে সাঈদা কামালের বড় বোন, মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সুলতানা কামাল দাফন পর্বে বলেন, “আমার বোনের জীবন স্বাধীনতার জন্য লড়াই এবং সৃজনশীলতার মিশ্রণ; তার আত্মা আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণা।” সরকারী প্রতিনিধিরা সাঈদা কামালের অবদানের প্রশংসা করে বলেছিলেন, “তার শিল্পকর্ম আমাদের জাতীয় পরিচয়কে দৃঢ় করেছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধের প্রতি সচেতন করেছে।” সাধারণ জনগণও দুঃখ প্রকাশ করে, কবরস্থলে শোকের ফুল অর্পণ করে এবং সামাজিক মাধ্যমে তার শিল্পকর্মের স্মরণীয় ছবি শেয়ার করে।

কর্তৃপক্ষ দাফন পর্বে সাঈদা কামালের শিল্পকর্ম সংরক্ষণে বিশেষ তহবিল গঠন এবং তার নামের সঙ্গে একটি জাতীয় শিল্প একাডেমি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। এছাড়া, সরকার তার স্মৃতিতে বার্ষিক “সাঈদা কামাল স্মৃতি দিবস” পালন করে, যেখানে তরুণ শিল্পী ও শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মশালা ও প্রদর্শনী আয়োজন করা হবে। ভবিষ্যতে তার শিল্পকর্মের ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরি করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রচার করা হবে, যাতে তার সৃষ্টিগুলি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে শক্তিশালী করে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিল্পীর সম্মান রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ