প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
জাতীয়

বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত

বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আজ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Oct 31, 2026 প্রিন্ট: 06 Nov 2026, 10:56 AM
বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত

বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আজ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে কেন্দ্রের কার্যক্রমের তাৎক্ষণিক গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। গামা রশ্মি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল ১২ মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা মৌসুমী উৎপাদন ও রপ্তানির সময়সূচি স্থিতিশীল করতে সহায়ক হবে। কেন্দ্রের উদ্বোধন দেশের কৃষি সেক্টরে আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

গামা রশ্মি বিকিরণ প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়ে আসছে; তবে বাংলাদেশে এ ধরনের সুবিধা প্রথমবারের মতো গৃহীত হচ্ছে। পূর্বে সিলেজ, ফ্রিজার ও রাসায়নিক সংরক্ষণ পদ্ধতি প্রধানত ব্যবহার করা হতো, যা ব্যয়বহুল ও পরিবেশগত দৃষ্টিকোণ থেকে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি করত। বিনার মহাপরিচালকের মতে, এই কেন্দ্রের গঠন দেশের কৃষি অবকাঠামোকে আধুনিকায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা ক্ষতি কমিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াবে।

বিনার মহাপরিচালক জানান, কেন্দ্রটি প্রতিবছর ৫৬,৫০০ টন পণ্যের সংগ্রহোত্তর ক্ষতি কমাবে এবং কমপক্ষে ৫৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে। স্থানীয় কৃষক সমিতির সভাপতি বলেন, দীর্ঘমেয়াদে পণ্যের সংরক্ষণ বাড়লে বাজারে মূল্য স্থিতিশীল হবে এবং রপ্তানি সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। কৃষি বিজ্ঞানী ড. রশিদ হকও উল্লেখ করেন, গামা রশ্মি পদ্ধতি পণ্যের পুষ্টিগুণ ও স্বাদে কোনো প্রভাব না ফেলে, ফলে ভোক্তাদের স্বাস্থ্যের ওপর কোনো ঝুঁকি নেই।

কৃষি মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে কেন্দ্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের জন্য একটি তদারকি কমিটি গঠন করেছে। ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য প্রধান কৃষি উৎপাদন অঞ্চলে একই ধরনের গামা রশ্মি কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া, কেন্দ্রের ব্যবহারিক দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও গবেষণা প্রকল্প চালু করা হবে, যাতে কৃষক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো প্রযুক্তি গ্রহণে সহজে সক্ষম হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের কৃষি রপ্তানি ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ