প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
জাতিসংঘ

জাতিসংঘের মহাসচিব পদে একজন নারীর প্রার্থিতা এবং একটি পুরোনো পরীক্ষা

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে প্রথমবারের মতো একজন নারীর প্রার্থিতা বিশ্বমঞ্চে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে। নুসাইবা নামের এই প্রার্থী, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ক্ষেত্
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Nov 3, 2026 প্রিন্ট: 03 Nov 2026, 12:58 PM
জাতিসংঘের মহাসচিব পদে একজন নারীর প্রার্থিতা এবং একটি পুরোনো পরীক্ষা

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে প্রথমবারের মতো একজন নারীর প্রার্থিতা বিশ্বমঞ্চে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে। নুসাইবা নামের এই প্রার্থী, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ক্ষেত্রের বিশাল অভিজ্ঞতা ও মানবাধিকার সংরক্ষণে বিশাল অবদানের ভিত্তিতে নির্বাচনের জন্য নাম নিবন্ধন করেছে। তার প্রার্থিতার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বজুড়ে মিডিয়া, মানবাধিকার সংস্থা ও বিভিন্ন দেশের সরকারী দপ্তর থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে; বিশেষ করে লিঙ্গ সমতা ও বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। তবে এই একক পদক্ষেপই জাতিসংঘের কাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারে না, তা স্পষ্ট।

জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচন প্রক্রিয়া ঐতিহাসিকভাবে পুরুষ আধিপত্যের ছাপ বহন করে আসছে। ১৯৪৫ থেকে এখন পর্যন্ত কেবলমাত্র পাঁচজন পুরুষই এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, আর তাদের অধিকাংশই পটভূমি ও রাজনৈতিক সমর্থন থেকে শক্তিশালী অবস্থান বজায় রেখেছেন। পূর্বে ২০১৬ সালে লেডি অ্যানা হ্যাপার্ডের প্রার্থীতা ও ২০২১ সালে মেরি গ্যাব্রিয়েলের প্রার্থীতা হলেও, তাদেরকে শেষ পর্যন্ত সমর্থন না পেয়ে বাদ দেওয়া হয়। এই ধারাবাহিকতা দেখায় যে, লিঙ্গ সমতা অর্জনের জন্য শুধুমাত্র প্রার্থীর যোগ্যতা নয়, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি ও ভোটিং প্যাটার্নের পরিবর্তনও প্রয়োজন।

নুসাইবার প্রার্থিতার প্রতি বিভিন্ন দেশের সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মতামত ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বলছেন, “একজন নারীর নেতৃত্বে জাতিসংঘের নীতি ও কর্মসূচিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আসবে।” অন্যদিকে, কিছু পারম্পরিক রাষ্ট্রের প্রতিনিধি এখনও ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি বজায় রাখতে চায় এবং বলছেন, “প্রার্থনার লিঙ্গ কোনো মানদণ্ড নয়, বরং অভিজ্ঞতা ও সমর্থনই মূল।” বাংলাদেশে, মানবাধিকার ও লিঙ্গ সমতা সংস্থাগুলো নুসাইবাকে “বৈশ্বিক নারীর ক্ষমতায়নের প্রতীক” বলে প্রশংসা করেছে এবং সরকারও তার প্রার্থিতাকে সমর্থন জানিয়েছে, যদিও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিয়ে।

জাতিসংঘের বর্তমান নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের ভোটের ভিত্তিতে মহাসচিব নির্বাচন হবে, এবং এই প্রক্রিয়ায় নুসাইবাকে সমর্থন করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইন গড়ে তোলা হয়েছে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে লিঙ্গ সমতা ও মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানিয়ে, প্রার্থিতার পক্ষে ও বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যদি নুসাইবা নির্বাচিত হন, তবে তা জাতিসংঘের কাঠামোতে লিঙ্গ সংবেদনশীল নীতি প্রয়োগের নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে; তবে তার সফলতা নির্ভর করবে কূটনৈতিক সমঝোতা, ভোটিং প্যাটার্নের পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার উপর।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ