প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
অর্থনীতি

আশিকুর রহমান কেন বেশি বাজেট ছাড়া কাজ করতে চান না

আশিকুর রহমান, যিনি বর্তমান অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের প্রধান কর্মকর্তা, গত বুধবারের উচ্চপদস্থ বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানালেন যে, বর্
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Nov 3, 2026 প্রিন্ট: 04 Nov 2026, 02:20 PM
আশিকুর রহমান কেন বেশি বাজেট ছাড়া কাজ করতে চান না

আশিকুর রহমান, যিনি বর্তমান অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের প্রধান কর্মকর্তা, গত বুধবারের উচ্চপদস্থ বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানালেন যে, বর্তমান বাজেটের সীমাবদ্ধতার কারণে তিনি নির্ধারিত কাজগুলো সম্পন্ন করতে অক্ষম। তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা ছাড়া প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রাখা এবং নির্ধারিত সময়সীমা পূরণ করা অসম্ভব। এই বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে তিনি সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানান, যাতে প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়। এই ঘটনার তাৎক্ষণিক গুরুত্ব দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতা এবং জনসাধারণের আস্থা রক্ষার দিক থেকে বিশাল।

বছরের পর বছর ধরে দেশের উন্নয়ন বাজেটের ধারাবাহিক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। পূর্বে ২০২২-২০২৩ আর্থিক বছরের বাজেট পরিকল্পনায় মূলধনী খাতে প্রয়োজনীয় তহবিলের ঘাটতি চিহ্নিত করা হয়েছিল, তবে তা যথাযথভাবে পূরণ করা হয়নি। ফলে বহু প্রকল্পে কাজের গতি ধীর হয়ে গিয়েছে, এবং কিছু ক্ষেত্রে কাজই স্থগিত হয়েছে। আশিকুরের এই দাবি মূলত পূর্বের অনুদান ও বরাদ্দের অপ্রতুলতা, মুদ্রাস্ফীতি ও কাঁচামাল মূল্যের বৃদ্ধি, এবং আন্তর্জাতিক ঋণ সেবার চাপের সঙ্গে যুক্ত। এই পটভূমি বোঝা ছাড়া তার দাবিকে কেবলমাত্র ব্যক্তিগত ইচ্ছা হিসেবে দেখা যায় না; এটি দেশের সামগ্রিক আর্থিক নীতি ও বাজেট প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

বক্তব্যের পরপরই বিভিন্ন স্তরের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পায়। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, সরকার ইতিমধ্যে বাজেট পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তহবিলের ব্যবস্থা করার জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিরোধী দল, বিশেষ করে বিএনপি, এই ঘটনার ওপর সরকারের আর্থিক নীতি সমালোচনা করে এবং দাবি করে যে, বাজেটের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে। অর্থনীতিবিদদের মতে, অতিরিক্ত বাজেট না বাড়িয়ে প্রকল্প চালিয়ে যাওয়া দীর্ঘমেয়াদে ব্যয়বহুল হতে পারে, কারণ কাজের গুণমান কমে গেলে পুনর্নির্মাণের খরচ বাড়বে। সাধারণ জনগণের মধ্যেও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বাড়ছে; কিছু লোক উদ্বিগ্ন যে, অবকাঠামো উন্নয়ন ধীর হয়ে গেলে তাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব পড়বে, অন্যদিকে কিছু লোক সরকারকে সমর্থন করে বলেন যে, বাজেট বৃদ্ধি না করলে প্রকল্পের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়বে।

অধিকাংশ বিশ্লেষক এবং নীতিনির্ধারক এখনো স্পষ্ট পদক্ষেপের অপেক্ষায় আছেন। সরকার ইতিমধ্যে আর্থিক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে অতিরিক্ত তহবিলের সম্ভাব্য উৎস চিহ্নিত করেছে, যার মধ্যে রয়েছে অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের কাটছাঁট, বিদেশি বিনিয়োগের আকর্ষণ এবং কর সংগ্রহের হার বৃদ্ধি। পাশাপাশি, প্রকল্পের অগ্রাধিকার পুনঃনির্ধারণের মাধ্যমে সীমিত বাজেটের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। ভবিষ্যতে, বাজেট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বাড়াতে এবং সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে সমন্বিত নীতি গঠন করা হবে বলে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে এমন ধরনের আর্থিক ঘাটতি পুনরায় না ঘটে এবং দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যায়।p>

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ