প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
অপরাধ

আমি গরিবের ছেলে, টাকার লোভ সামলাতে পারিনি: ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদ

ঢাকার এক উচ্চপদস্থ সরকারি সংস্থার ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন, গরিব পরিবারের সন্তান হিসেবে বড় হওয়ায় আর্থিক চাপে ভুগে ত
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Nov 3, 2026 প্রিন্ট: 04 Nov 2026, 09:08 PM
আমি গরিবের ছেলে, টাকার লোভ সামলাতে পারিনি: ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদ

ঢাকার এক উচ্চপদস্থ সরকারি সংস্থার ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন, গরিব পরিবারের সন্তান হিসেবে বড় হওয়ায় আর্থিক চাপে ভুগে তিনি টাকার লোভে পতিত হয়েছেন। এই স্বীকারোক্তি দেশের সর্বোচ্চ আদালতে চলমান দুর্নীতি মামলার নতুন মোড় এনে দিয়েছে। রিয়াদের এই প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিডিয়া ঘরানা ও সাধারণ জনগণ উভয়ই বিস্মিত, কারণ তিনি পূর্বে কোনো অবৈধ লেনদেনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার এই স্বীকারোক্তি দেশের দুর্নীতিবিরোধী সংগ্রামের জন্য নতুন আলোচনার সূচনা করেছে।

রিয়াদ হোসেনের এই স্বীকারোক্তির পটভূমি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি ১৯৯০-এর দশকে গরিব পরিবারের সন্তান হিসেবে ঢাকা শহরের এক স্লাম এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। উচ্চশিক্ষা অর্জনের পর তিনি সরকারি সেবায় যোগ দেন এবং দ্রুত পদোন্নতি পান। তবে ২০১৫ সাল থেকে তার আর্থিক অবস্থা হঠাৎ পরিবর্তিত হয়, যখন তিনি একাধিক অপ্রকাশিত তহবিলের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সম্পদ সঞ্চয় শুরু করেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রের মতে, রিয়াদ তার পদ ব্যবহার করে সরকারি প্রকল্পের চুক্তি গুলিতে হস্তক্ষেপ করে, ফলে অযৌক্তিকভাবে বিশাল অর্থ লাভ করেন। এই লুকানো লেনদেনের প্রকাশে তার স্বীকারোক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করবে।

সাক্ষাৎকারে রিয়াদের বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়াও তীব্র। তার সহকর্মী ও উপদেষ্টারা বলেন, রিয়াদের আর্থিক সমস্যার মূল কারণ ছিল তার পরিবারিক দায়িত্ব এবং সন্তানদের শিক্ষার ব্যয়। তবে কিছু বিশ্লেষক যুক্তি দেন, রিয়াদের স্বীকারোক্তি কেবল নিজের রক্ষা করার কৌশল হতে পারে, যাতে তিনি ভবিষ্যতে কোনো আইনি শাস্তি থেকে বাঁচতে পারেন। সাধারণ জনগণও এই প্রকাশে মিশ্র অনুভূতি প্রকাশ করেছে; কেউ তাকে দুঃখের সঙ্গে সমবেদনা জানায়, আবার কেউ তাকে দুর্নীতির শিকার হিসেবে গণ্য করে কঠোর শাস্তি দাবি করে। সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতার দাবি তীব্রভাবে শোনাচ্ছে।

অধিকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি ইতিমধ্যে রিয়াদ হোসেনের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তদন্ত পুনরায় চালু করেছে। বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করে তার আর্থিক লেনদেনের বিস্তারিত বিশ্লেষণ শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল নথি ও রেকর্ড সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছে। ভবিষ্যতে যদি রিয়াদ সত্যিই অপরাধী প্রমাণিত হন, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে, যাতে সরকারি পদে থাকা অন্য কর্মকর্তাদের জন্য সতর্কতা সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে নতুন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জনসেবা মান উন্নত হয়।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ