প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
আন্তজাতিক

ভারতের তিন রাজ্যে বিশাল অস্ত্র পাচার চক্রের উদ্ঘাটন, ৪৪ হাজার কার্তুজ উদ্ধার

ভারতের ত্রিপুরা, উড়িষ্যা ও মধ্যপ্রদেশে এক বিশাল অস্ত্র পাচার চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত অভিযান শেষে মোট ৪৪ হাজার কার্তুজ, রাইফেল ও গু
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Nov 8, 2026 প্রিন্ট: 08 Nov 2026, 07:47 PM
ভারতের তিন রাজ্যে বিশাল অস্ত্র পাচার চক্রের উদ্ঘাটন, ৪৪ হাজার কার্তুজ উদ্ধার

ভারতের ত্রিপুরা, উড়িষ্যা ও মধ্যপ্রদেশে এক বিশাল অস্ত্র পাচার চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত অভিযান শেষে মোট ৪৪ হাজার কার্তুজ, রাইফেল ও গুলির বাক্স উদ্ধার করা হয়েছে। এই ধরা পড়া গুলির পরিমাণ দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং অঞ্চলের সশস্ত্র অপরাধের ঝুঁকি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে।

অস্ত্র পাচার চক্রটি বহু বছর ধরে গোপনভাবে কাজ করে আসছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পূর্বে একই রকম ঘটনায় সীমান্ত পারাপার গোপন রুট, স্থানীয় গ্যাং ও আন্তর্জাতিক অপরাধী সংগঠন জড়িত ছিল। ত্রিপুরা ও উড়িষ্যার সীমান্তে অবস্থিত অপ্রতিষ্ঠিত গলি ও গুহা পথগুলোকে ব্যবহার করে গুলি ও রাইফেল সরবরাহ করা হতো, আর মধ্যপ্রদেশের শিল্প নগরগুলোতে তা গুদামজাত করা হতো। এই চক্রের পেছনে আর্থিক লাভের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করার ইচ্ছা ছিল বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন।

অভিযানের প্রধান দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা প্রধানের মতে, এই ধরা পড়া গুলির মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে এবং তা দ্রুত মেরামত করা জরুরি। ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, তিনি বলেছিলেন যে সীমান্তে অতিরিক্ত নজরদারি ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হবে। পাশাপাশি, প্রতিবেশী দেশের সীমানা নিরাপত্তা সংস্থাও এই ঘটনার প্রতি সতর্কতা প্রকাশ করেছে এবং তথ্য শেয়ারিং বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সাধারণ জনগণও এই ধরা পড়া গুলির পরিমাণ দেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দাবি জানিয়েছে।

অভিযানের পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী চক্রের মূল দায়িত্বশীলদের গ্রেফতার করে এবং গুদামস্থলগুলো জব্দ করেছে। এখন পর্যন্ত ১২ জন সন্দেহভাজন গ্রেফতার এবং আরও ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালু রয়েছে। সরকার সীমান্তে অতিরিক্ত চেকপয়েন্ট স্থাপন, ড্রোন নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেমের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করে একই রকম চক্রের পুনরাবৃত্তি রোধে যৌথ প্রশিক্ষণ ও তথ্য বিনিময় কর্মসূচি চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ