প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
জাতীয়

প্রযুক্তিবিদদের দাবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ছাড়াই ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব

দেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন একটি অপরিহার্য শর্ত হিসেবে চিহ্নিত হলেও, সাম্প্রতিক সময়ে দেশীয় প্রযুক্তিবিদ ও গবেষকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মতামত জাতী
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Sep 13, 2026 প্রিন্ট: 17 Oct 2026, 02:08 AM
প্রযুক্তিবিদদের দাবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ছাড়াই ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব

দেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন একটি অপরিহার্য শর্ত হিসেবে চিহ্নিত হলেও, সাম্প্রতিক সময়ে দেশীয় প্রযুক্তিবিদ ও গবেষকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মতামত জাতীয় আলোচনায় উঠে এসেছে। তাঁদের দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো এবং মানবিক দক্ষতা ও ঐতিহ্যবাহী প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব। এই মতামতটি দেশের প্রযুক্তি খাতের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং অর্থনৈতিক নীতিমালা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এআই-এর প্রতি অতিরিক্ত আস্থা রাখার চেয়ে দেশীয় প্রেক্ষাপটে মানানসই প্রযুক্তিগত সমাধান উদ্ভাবন করা বেশি কার্যকর ও টেকসই হবে।

এই দাবির পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের গবেষণা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করা বিশ্লেষণ। দেশের বহু প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি অঙ্গসংস্থানগুলোতে প্রযুক্তিগত সমস্যাগুলো মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অভাবে নয়, বরং সঠিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং মানবিক দক্ষতার অভাবে সৃষ্টি হয় বলে উঠে এসেছে। পশ্চিমা দেশগুলোর মতো এআই-এর দ্রুত প্রসারের চেয়ে দেশের নিজস্ব প্রেক্ষাপটে মানানসই প্রযুক্তিগত কাঠামো গড়ে তোলা বেশি জরুরি। অনেক ক্ষেত্রে সরল প্রযুক্তি এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জটিল সমস্যার সমাধান সম্ভব, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যয়বহুল ব্যবস্থার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর এবং স্থিতিশীল প্রমাণিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং অর্থনীতিবিদরা এই মতামতকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, এআই-এর প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের প্রযুক্তিগত স্বাধীনতা হুমকির মুখে ফেলতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক বোঝা বাড়িয়ে দিতে পারে। জনজীবনে এর প্রভাব হিসেবে দেখা যাচ্ছে, কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে মানবিক দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হলে দেশের যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া, এআই-এর নিয়ন্ত্রণের অভাবে সৃষ্ট তথ্য নিরাপত্তা হুমকি থেকেও দেশকে বাঁচাতে এই পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ নীতি গ্রহণ করা জরুরি, যাতে দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন টেকসই ও স্বাধীন থাকে।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। সরকারের প্রযুক্তি বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এআই-এর পাশাপাশি দেশীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং মানবিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে। ভবিষ্যতে দেশের প্রযুক্তিগত রূপান্তরে এআই-এর ভূমিকা সীমিত রাখা এবং ঐতিহ্যবাহী প্রযুক্তি ও মানবিক দক্ষতার ওপর জোর দেওয়ার মাধ্যমে ৮০ শতাংশ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিগত স্বাধীনতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার আশা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছেন, এই নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তি খাতে একটি নতুন মাইলফলক সৃষ্টি হবে এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অবদান আরও শক্তিশালী হবে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ