প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
অর্থনীতি

বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় আদানির দ্বিতীয় ইউনিট চালু, একই সময়ে বন্ধ রামপালের একটি ইউনিট

দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুপুর
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Sep 13, 2026 প্রিন্ট: 08 Nov 2026, 04:59 PM
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় আদানির দ্বিতীয় ইউনিট চালু, একই সময়ে বন্ধ রামপালের একটি ইউনিট

দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১২টায় আদানি গ্রুপের বরিশাল জেলার গৌরিনদী বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। এই উল্লেখযোগ্য ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে আদানির এই নতুন ইউনিটের চালু হওয়ায় দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দ্রুত প্রসারের সাথে সাথে শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালিতে বিদ্যুৎ চাহিদা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। সরকারের বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে আদানি গ্রুপের সাথে চুক্তি করা হয়েছিল। গৌরিনদী বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট আগেই চালু হয়ে দেশের বিদ্যুৎ জালকে শক্তিশালী করেছে। এবার দ্বিতীয় ইউনিটের চালু হওয়ায় এই কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অন্যদিকে, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটের কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে, যা কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে।

বিদ্যুৎ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদানির দ্বিতীয় ইউনিট চালু হওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গ্রীষ্মকালীন বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোতে সাহায্য করবে। জনসাধারণ ও শিল্পপতিরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ এটি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্ভাবনা কমাতে সহায়ক হবে। তবে রামপালের ইউনিট বন্ধ থাকায় কিছু অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক সমস্যা হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, রামপালের ত্রুটি দ্রুত দূর করা হবে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদানির এই নতুন ইউনিট চালু হওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়েছে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি সমস্যা দ্রুত সমাধানের কাজ চলছে এবং খুব শীঘ্রই সেটিও পুনরায় চালু করা হবে। ভবিষ্যতে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে আরও নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রসার ও জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা এখন আরও স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠছে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ