প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
জাতীয়

দেশে থাকার সাহস হয়নি, এখন বাইরে বসে আস্ফালন করছেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সামাজিক কল্যাণ মন্ত্রী সম্প্রতি একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের প্রতি তার অসন্তোষ প্রকাশ করে মন্তব্য করেন, “দেশে থাকার সাহস হয়নি, এখন বাইরে বস
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Sep 13, 2026 প্রিন্ট: 17 Oct 2026, 03:53 AM
দেশে থাকার সাহস হয়নি, এখন বাইরে বসে আস্ফালন করছেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সামাজিক কল্যাণ মন্ত্রী সম্প্রতি একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের প্রতি তার অসন্তোষ প্রকাশ করে মন্তব্য করেন, “দেশে থাকার সাহস হয়নি, এখন বাইরে বসে আস্ফালন করছি।” তিনি আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে উল্লেখ করেন, “একটা কথা আছে যে ‘ঘুপচি’। আমরা ওই ঘুপচি আন্দোলন বা ঘুপচি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।” এই উক্তি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক মিডিয়া ও প্রধান সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়, যেখানে মন্ত্রীর এই প্রকাশকে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শাসনব্যবস্থার প্রতি একটি তীব্র সমালোচনা হিসেবে ধরা হয়।

মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পটভূমিতে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে চলমান তীব্র বিরোধের ইতিহাস রয়েছে। “ঘুপচি” শব্দটি সাধারণত রাজনৈতিক দলে অবৈধ বা অনৈতিক কৌশলকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়, যা অতীতের বহু রাজনৈতিক সংঘাতে দেখা গিয়েছে। মন্ত্রীর পূর্বে কিছু সমালোচনামূলক মন্তব্যের পরেও তিনি সরকারী দায়িত্ব পালন করে আসছেন, তবে বিদেশে অবস্থান নিয়ে তিনি যে রূপক ব্যবহার করেছেন তা তার রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে, মন্ত্রীর বক্তব্যকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, শাসনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

মন্তব্যের পরপরই আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মন্ত্রীর কথাকে “অসামাজিক ও অযৌক্তিক” বলে সমালোচনা করেন। আওয়ামী লীগের মুখপাত্র উল্লেখ করেন, “মন্ত্রীর এই ধরনের মন্তব্য দেশের স্বার্থের পরিপন্থী এবং জাতীয় ঐক্যের ক্ষতি করে।” পাশাপাশি, কিছু নাগরিক গোষ্ঠী মন্ত্রীর এই রূপক ব্যবহারকে “অসত্য ও অতিরঞ্জিত” বলে খণ্ডন করে, এবং সরকারের প্রতি আস্থা পুনর্গঠনের আহ্বান জানায়। একাধিক বিশ্লেষকও ইঙ্গিত করেন যে, মন্ত্রীর এই প্রকাশনা রাজনৈতিক বিরোধকে তীব্র করে তুলতে পারে এবং দেশের আন্তর্জাতিক চিত্রকে প্রভাবিত করতে পারে।

প্রতিক্রিয়ার পর সরকারী দপ্তর দ্রুত একটি ব্যাখ্যা জারি করে, যেখানে মন্ত্রীর মন্তব্যকে “ব্যক্তিগত মতামত” হিসেবে উল্লেখ করে, এবং তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক নীতি পরিবর্তন বা সরকারী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই কথা বলেননি বলে স্পষ্ট করে। এছাড়া, মন্ত্রীর বিদেশে অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর হিসেবে সরকারী প্রতিনিধিরা জানান, তিনি বিদেশে কোনো সরকারি দায়িত্ব পালন করছেন না, এবং তার মন্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল দেশের রাজনৈতিক সংস্কারকে ত্বরান্বিত করা। ভবিষ্যতে সরকারী দপ্তর এই ধরনের প্রকাশনা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতি গ্রহণের সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে, যাতে রাজনৈতিক সংলাপ গঠনমূলক ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ