প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | info@newsbari.com
জাতীয়

খামারি থেকে গরু বিক্রির ৯০ হাজার টাকা ছিনতাই, পানি খেতে চাইলে মাথায় আঘাত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর গ্রামে গত সপ্তাহে এক কৃষকের গরু বিক্রির জন্য জমা দেওয়া ৯০ হাজার টাকার নগদ অর্থের ওপর চোরাচালান ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় আদালত দ্রুত
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Oct 12, 2026 প্রিন্ট: 18 Oct 2026, 04:53 AM
খামারি থেকে গরু বিক্রির ৯০ হাজার টাকা ছিনতাই, পানি খেতে চাইলে মাথায় আঘাত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর গ্রামে গত সপ্তাহে এক কৃষকের গরু বিক্রির জন্য জমা দেওয়া ৯০ হাজার টাকার নগদ অর্থের ওপর চোরাচালান ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় আদালত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সাতজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ জারি করেছে। এই অপরাধের তীব্রতা ও সরাসরি কৃষকের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং জনসাধারণের মধ্যে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা বাড়িয়েছে।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা, যাঁরা গ্রামাঞ্চলে পানির সরবরাহের দায়িত্বে ছিলেন, তারা কৃষকের কাছ থেকে পানির জন্য টাকা চাওয়ার সময় হুমকি ও শারীরিক আঘাতের মাধ্যমে টাকা ছিনতাই করে। পূর্বে একই এলাকায় অনুরূপ অভিযোগের রেকর্ড রয়েছে, তবে যথাযথ তদন্তের অভাবে সমস্যার সমাধান হয়নি। স্থানীয় প্রশাসনের দুর্বল তত্ত্বাবধান এবং পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ তদারকি ব্যবস্থার ঘাটতি এই ধরনের অপরাধকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

কৃষক শ্রীমতি রমেশ্বরী দে, যিনি গরু বিক্রির জন্য এই অর্থ জমা দিয়েছিলেন, তিনি আদালতে অভিযোগ জানিয়ে বলেন, “আমি শুধু গরু বিক্রি করে পরিবারের মৌলিক চাহিদা মেটাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পুলিশদের হুমকি ও আঘাতের ফলে আমার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়েছে এবং আর্থিক ক্ষতিও হয়েছে।” স্থানীয় সমাজের নেতারা ও মানবাধিকার সংস্থা দ্রুত প্রতিবাদ জানিয়ে, পুলিশের এই অবৈধ আচরণকে কঠোরভাবে শাস্তি দেওয়ার দাবি তুলে ধরেছেন। জনমতও এই ঘটনার প্রতি রাগ ও হতাশা প্রকাশ করেছে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় পানির নিরাপত্তা ও পুলিশ সেবার ওপর বিশ্বাসের ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আদালতের নির্দেশ অনুসারে, তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রমাণ সংগ্রহ, সাক্ষী সাক্ষাৎকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তার আর্থিক হিসাব পর্যালোচনা করবে। পাশাপাশি, স্থানীয় প্রশাসনকে তৎক্ষণাৎ গ্রামীণ এলাকায় পানির সরবরাহের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নতুন নীতি প্রণয়ন করতে হবে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা, প্রশিক্ষণ ও তদারকি শক্তিশালী করা এবং গ্রামবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে অভিযোগের দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করা হবে। এই পদক্ষেপগুলো যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে গ্রামীণ জনসাধারণের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হবে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাড়ি | সর্বশেষ বাংলা সংবাদ