ইসরায়েলের সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এক অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক শক্তি উন্মোচিত হয়েছে; তিনি হলেন সেই ‘কিংমেকার’ যিনি আব্বাস এবং নেতানিয়াহু উভয়কে রাজনৈতিক পরিসরে থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশাল আলোচনার সৃষ্টি করেছে, কারণ ইসরায়েলের রাজনৈতিক দৃশ্যপট দীর্ঘদিনের স্থিতিশীলতা এবং দু’দলীয় সিস্টেমের উপর নির্ভরশীল ছিল। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে এই ‘কিংমেকার’ এর ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্যকে নতুন করে গঠন করতে পারে।
‘কিংমেকার’ এর পটভূমি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা ও কূটনৈতিক নেটওয়ার্কের অংশ ছিলেন, এবং বহু নির্বাচনী চক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার কৌশলগত পরিকল্পনা ও গোপনীয় সমঝোতা ইসরায়েলের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতার পুনর্বণ্টনকে সহজতর করেছে। বিশেষ করে, তিনি আব্বাসের নেতৃত্বাধীন পার্টির অভ্যন্তরীণ বিরোধ এবং নেতানিয়াহুর সরকারে সৃষ্ট অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে, উভয় নেতার রাজনৈতিক ভিত্তি দুর্বল করে নতুন গঠনমূলক জোট গঠনে সহায়তা করেছেন।
এই ‘কিংমেকার’ এর কার্যক্রমের ফলে ইসরায়েলের নাগরিক সমাজে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে; কিছু বিশ্লেষক তাকে রাজনৈতিক পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয় স্রষ্টা হিসেবে প্রশংসা করছেন, অন্যদিকে কিছু নাগরিক তাকে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্টকারী হিসেবে সমালোচনা করছেন। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও মিডিয়া সংস্থা গুলোও তার ভূমিকা নিয়ে বিশদ বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে, যেখানে তিনি কিভাবে গোপনীয় চুক্তি ও রাজনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে ক্ষমতার কাঠামো পরিবর্তন করেছেন তা তুলে ধরা হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই পরিবর্তনকে নিয়ে উদ্বেগ ও আশার মিশ্র অনুভূতি দেখা যায়।
অধিকাংশ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সরকারী কর্মকর্তারা এখন এই ‘কিংমেকার’ এর সঙ্গে সমন্বয় করে ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণের পরিকল্পনা করছেন; তার কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করে নতুন সরকার গঠন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পুনর্গঠন করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সরকার ইতিমধ্যে নির্বাচনের পরবর্তী পর্যায়ে গঠিত নতুন জোটের সঙ্গে আলোচনার সূচনা করেছে, এবং ‘কিংমেকার’ এর পরামর্শে আইনসভা ও নিরাপত্তা নীতিতে সংস্কার আনার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। ভবিষ্যতে ইসরায়েলের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এই ব্যক্তির প্রভাব কতদূর পর্যন্ত থাকবে, তা নির্ভর করবে তার কৌশলগত সিদ্ধান্ত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গ্রহণযোগ্যতার ওপর।