শেলটেক কোম্পানি সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী তার মোট প্রকল্পের মধ্যে ৯৯ শতাংশ সময়মতো হস্তান্তর করেছে বলে গর্বের সঙ্গে জানিয়েছে। এই অর্জন দেশের নির্মাণ খাতের সময়সীমা মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সময়মতো হস্তান্তর কেবল ক্রেতাদের আস্থা বৃদ্ধি করে না, বরং বিনিয়োগকারীদের জন্যও একটি নির্ভরযোগ্য সূচক হিসেবে কাজ করে, যা ভবিষ্যৎ প্রকল্পের অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
প্রায় চার দশকের দীর্ঘ পথচলায় শেলটেক কেবল ভবন নির্মাণেই সীমাবদ্ধ না থেকে নগরজীবনের মান উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সাড়ে চার হাজারের বেশি অ্যাপার্টমেন্ট ও বাণিজ্যিক স্পেস নির্মাণের মাধ্যমে কোম্পানি শহরের বাসযোগ্যতা ও বাণিজ্যিক পরিবেশকে সমৃদ্ধ করেছে। এই সময়ে কোম্পানি আধুনিক স্থাপত্য নকশা, টেকসই উপকরণ ব্যবহার এবং গ্রাহক-কেন্দ্রিক সেবা মডেলকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, যা তার বাজার শেয়ার বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।
শেলটেকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকল্পের সময়মতো হস্তান্তরের জন্য দলের কঠোর পরিশ্রম ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রক্রিয়াকে প্রশংসা করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও বড় প্রকল্পে একই মানদণ্ড বজায় রাখার সংকল্পকে দৃঢ় করেছে। ক্রেতাদের কাছ থেকে পাওয়া প্রতিক্রিয়ায় দেখা যায় যে সময়মতো হস্তান্তর তাদের আর্থিক পরিকল্পনা ও বসবাসের স্বাচ্ছন্দ্যে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। আর্থিক বিশ্লেষকরা শেলটেকের এই সাফল্যকে দেশের রিয়েল এস্টেট বাজারের স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগের আকর্ষণ বাড়ানোর একটি ইতিবাচক সূচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন।
সরকারি কর্তৃপক্ষ শেলটেকের এই মাইলফলককে স্বাগত জানিয়ে নির্মাণ খাতে সময়মতো হস্তান্তর নিশ্চিত করার জন্য নীতিগত সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ভবিষ্যতে গৃহ নির্মাণে মানদণ্ড নির্ধারণ, তহবিলের সহজলভ্যতা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করে এমন নীতি প্রণয়ন করা হবে, যাতে অন্যান্য নির্মাণ সংস্থাগুলিও সময়মতো হস্তান্তরের সংস্কৃতি গ্রহণ করতে পারে। শেলটেকও নতুন নগর পরিকল্পনা, সবুজ ভবন প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল নির্মাণ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি গ্রহণ করে তার প্রকল্পের গুণগত মান ও সময়সীমা আরও উন্নত করার পরিকল্পনা করেছে, যা দেশের নগর উন্নয়নের সামগ্রিক গতি ত্বরান্বিত করবে।