দেশের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে। আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) ট্রাস্টি বোর্ডের নতুন নেতৃত্বে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হাসানুল এ হাসান ও ইশতিয়াক আবেদীন। ট্রাস্টি বোর্ডের সাম্প্রতিক সভায় একমতভাবে হাসানুল এ হাসানকে চেয়ারম্যান এবং ইশতিয়াক আবেদীনকে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে। এই নির্বাচন প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন ও শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করার আশা জাগিয়েছে। শিক্ষাঙ্গনে এই নেতৃত্ব পরিবর্তনকে প্রশংসার নজরে দেখছেন শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা।
এআইইউবি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় একটি আলাদা পরিচিতি অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও বিনিয়োগের ফলে এই বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের পাঠ্যক্রম ও গবেষণা পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। ট্রাস্টি বোর্ডের নতুন নেতৃত্ব আসার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও সুস্পষ্ট ও কাঠামোবদ্ধ হওয়ার আশা করা হচ্ছে। হাসানুল এ হাসান ও ইশতিয়াক আবেদীন উভয়েই শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণে পরিচিত। তাদের এই দায়িত্ব গ্রহণ প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণের জন্য একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
শিক্ষাঙ্গনের বিভিন্ন মহল থেকে এই নেতৃত্ব পরিবর্তনের খবর পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলি ও শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, অভিজ্ঞ নেতৃত্বের অধীনে প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রম আরও আধুনিকায়িত হবে এবং গবেষণার মান উন্নত হবে। শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, নতুন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা তাদের শিক্ষাগত চাহিদা ও কর্মসংস্থানের সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন। দেশের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই নেতৃত্ব পরিবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ইতিহাসে স্থান পাবে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা শীঘ্রই একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন। এই পরিকল্পনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, পাঠ্যক্রমের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো বিশেষভাবে বিবেচনা করা হবে। হাসানুল এ হাসান ও ইশতিয়াক আবেদীন উভয়েই প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা প্রদর্শনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ভবিষ্যতে এআইইউবি দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার লক্ষ্যে তারা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন। শিক্ষাঙ্গনের এই ইতিবাচক পরিবর্তন দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।